রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
ভয়েস প্রতিবেদক:
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসনের শহিদ এটিএম জাফর আলম সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মো: মামুনুর রশীদ।
সভায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা,পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান,স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব শ্রাবস্তী রায়,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাহিদ ইকবাল,জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার নুরুল আবছারসহ সংশ্লিষ্টরা বক্তব্য রাখেন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো: মামুনুর রশীদ বলেন, মানবসভ্যতার ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত হত্যাযজ্ঞের দিন ২৫ মার্চের কালোরাত্রি।এই রাতে গণহত্যার মাধ্যমে মুক্তিকামী বাঙালি জাতিকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছিল পাকবাহিনী আর তাদের দোসররা। কিন্তু ৭ মার্চ জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ শুনে স্বাধীনতার আকাঙ্খায় উজ্জীবিত এই বাঙ্গালী জাতিকে তারা দমিয়ে রাখতে পারেনি। জাতির পিতার নেতৃত্বেই স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিল এই বীর বাঙ্গালী জাতি।
কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ১৯৭১ এর ২৫ মার্চের সেই রাতে নিরীহ ঢাকাবাসী যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন তখন হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে হানাদার বাহিনী। এরপরে রচিত হয় এক কুখ্যাত ইতিহাস।গণহত্যার ইতিহাস এবং মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস পরবর্তী প্রজন্মকে জানাতে হবে।স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।এর স্বপক্ষে অনেক তথ্যবহুল প্রমাণ ও দলিল আছে। একটি কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষীমহল প্রচারক আর ঘোষককে এক করে ফেলেছে। যা মোটেই সমীচিন নয়।তথ্য প্রমাণ ঘাটলে নতুন প্রজন্ম জানতে পারবে আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের মূলকান্ডারী কে। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বেই এদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে।তিনিই ঘোষণা দিয়েছিলেন স্বাধীনতার।আর তাই আমরা বাঙ্গালী জাতি ২৬ মার্চ পালন করি মহান স্বাধীনতা দিবস।
এ সময় পদস্থ সরকারী কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধাসহ শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ভয়েস/জেইউ।